Posts

Showing posts from 2019

Find Ibrahim Ezz El-Din

Image
Ibrahim Ezz El-Din On the night of 11 June 2019, Ibrahim Ezz El-Din - a 26-year-old researcher from Cairo - was arrested in the street by plain-clothed police. When his family and lawyers asked about Ibrahim at the police station, the authorities denied he had been detained. Now hel p them  find him now. This is painful for his family.The Egyptian government unable to provide security to a public.Why are they not responding properly after police arrests? Finding him a human rights defender is a timely demand.So raise your voice against Egyptian government & law enforcement agencies. Tonmoy Chakrobarty Member at Amnesty International From: Bangladesh #Find_Ibrahim_Ezz_El_Din #Protect_human_rights

বিশ্বজিতের রংহীন কবিতা

Image
রংহীন রাতের ঘন কালো আঁধার বর্ণ টা, কেমন যেন আরো ঘন হয়ে এসেছে, চারিদিকে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার অস্তিত্ব, আর আমি একা। নিরব শহরে যেন মৃত মানুষের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, অদ্ভুত ভাবে আমি একা জীবিত। ভেতর এর একাকিত্ব টি বড্ড রাগান্বিত হয়ে, গলা পর্যন্ত এসে পুনরায় ফিরে গেছে। চিৎকারে মৃত মানুষ গুলো জীবিত হয়ে যাবে বলে। জীবনের একঘেয়ে সুর গুলো, গিটারে তুলতে বড্ড ইচ্ছে হচ্ছে, রং মাখিয়ে, সুরকে সুরেলা করতে ইচ্ছে হচ্ছে। আমার সুরে মৃত মানুষ গুলো জীবিত হয়ে যাবে, এমন আশংকায় তাও আসছে না। আসছে না কিছুই। একাকিত্ব বাদে। আসছে না মৃত্যু, মৃতদের সাথে মিশে যাবো বলে।........ . . #ShreeShikto কবিতা

ইস্তিয়াক হৃদয়ের কবিতা নির্মম সমাজ

Image
নির্মম সমাজ ইস্তিয়াক হৃদয় ঐ যে দেখ আকাশ ফেটে যাচ্ছে চৌচির হয়ে যাচ্ছে পৃথিবী চারিদিকে অনেক শব্দ, বাজ পড়ছে যত্রতত্র সমাজ কে হাত করে অবিচার যখন জয় লাভ করে তখনও আকাশ ফেটে যায় মর্মর শব্দে জেগে তোলে প্রতিবাদ রক্তের এঁষটে গন্ধে নিঃশ্বাস আটকে যায় প্রিয়জনদের কান্নায় ঝড় ওঠে হামড়ি খায় ধর্ষিত তরুনীর রক্তে ভেজা কাপড় তখনও সন্ত্রাসীদের জিন্মায়... সমাজ ছেয়ে গেছে কতোগুলি অমানুষ নির্মমদের আলখাল্লায় এ সমাজ আমার হতে পারে না জনসম্মুখে,যখন চলতে থাকে হাসুয়া,ছুরি রাম-দা সাদাশার্ট ভিজে ওঠে রক্তে তীব্র ভিড়ে চলতে থাকে করুন সিনেমা একটু পরে শোনা যায় স্বজনদের আহামরি কান্না এ সমাজ আমার হতে পারে না অজস্র সপ্ন ছিল, আগুনে পুড়া ঝলসানো দেহে ছাই হয়ে যেটি আজ মিশে আছে রক্তে ভেজা মাটিতে তারা সমাজ কে গ্রাস করে, সত্যকে রাস্তায় পিষে গটগট করে হেঁটে চলে.. চারিদিকে এতো অন্যায় নিষ্ঠুর অত্যাচার বড় বড় টাকার গন্ধে এসবের পিছে মানুষ রুপি জানোয়ার। প্রকৃতি আজো নির্দয় তাদের কাছে ঐ যে দেখো আকাশ ফেটে যাচ্ছে.. #poem #Hridoy #Bangladesh

তন্ময় চক্রবর্তীর কবিতা 'তোমরা অপরাধী'

Image
তোমরা অপরাধী, তোমরা অপরাধ করেছ সমাজ ব্যবস্থার সাথে, তোমরা অপরাধ করেছ প্রতি বিন্দু রক্তের সাথে, তোমরা অপরাধ করেছ হাজার মায়ের কান্নার সাথে। হ্যা তোমরা কুলাঙ্গার, তোমরা প্রতিবাদ করোনি অধিকার হত্যার, তোমরা প্রতিবাদ করোনি পশু সত্তার, তোমরা প্রতিবাদ করোনি অমানিবকতার। তোমরা ভিতু জনতা, তোমরা আওয়াজ তোলোনি স্বাধীনতা রক্ষায়, তোমরা কথা বলোনি ভিটে হারা জনতার, তোমরা চাবুক মারোনি সন্ত্রাসী হত্যায়। তোমরা কাপুরুষ তাই তোমার মা-বোন ধর্ষিত, তোমরা কাপুরুষ তাই তোমার বাবা লাঞ্চিত, তোমরা কাপুুরুষ তাই তোমার জীবন শঙ্কিত। তবে যদি সাহসী হও কথা বলো সাম্যের, যদি বীর হও প্রতিবাদ করো অত্যাচারের, যদি বাঙালি হও বিশ্বাস করো মুক্তিযুদ্ধে। তাই, হাত তোলো মুষ্টিবদ্ধ,লড়াই করো ঐক্যবদ্ধ, সংগ্রাম করো যুক্তিযুক্ত, জীবন হবে শত্রুমুক্ত। ------------------------_------------------------------------- তন্ময় চক্রবর্তী ফিন্যান্স বিভাগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্বজিৎ ঠাকুরের নন্দিত আমি

Image
নতুন এই মনেতে আবার, কাব্যের  আলপনা, নতুন করে হচ্ছে আবার ছন্দের সূচনা। প্রকৃতির শত রং আবার, করেছে মনে ভর, কবি মন যে দিচ্ছে জানান, সে নয় নশ্বর। জীর্ণ যত চিত্র গুলো, রং এর আলোয় মেশা, নির্মল বাতাসে, মনে বসেছে অন্য রকম নেশা। কল্প ডানায় ভর করে আজ, হারিয়ে যায় মন, গান বাধে আর খুঁজে বেড়ায় আমার আপনজন। কাশ ফুলের ঐ দুগ্ধ সাদায়,মন ছুঁয়ে মোর যায়, পাগল এই মনটাকে, আজ বেধেছি কবিতায়। . _নন্দিত আমি বিশ্বজিৎ ঠাকুর (সিক্ত)

শাকিল হোসেনের ``মাছের বিয়ে``

Image
মাছের বিয়ে মো: শাকিল হোসেন গত চৈত্রে  ঘটক এলো পুঁটির মায়ের কাছে বললো এসে তার কাছে এক ভালো পাত্র আছে, কলমি ডাঙায় বাড়ি যে তার দুই প্রহরের পথ কুটুম বাড়ি করতে পারো, থাকে যদি পুঁটি মায়ের  মত। দেড়শো খানা শামুক-ঝিনুক সাথে কতোক পানা ক্ষুদে-কুটি দিলেই হবে, নেইকো যে তার মানা- গাঙে নতুন পানি এলে হবে তাদের বিয়ে এই কথাটি ঠিক হলো বরের বাড়ি গিয়ে- দেখতে দেখতে বৈশাখ এলো উঠলো সবে ঝড় গাঙে নতুন পানি এলো মড়াৎ মড়াৎ মর- চিংড়ি মাছ বুনলো জামা, পদ্ম পাতার টোপর বুনো পাতায় বোনা হলো কনে পুঁটির কাপড়, নদীর ধারের করিম চাষীর "জিরাশাইল ধান" বরজ থেকে আনা হলো কচি-মিঠা পান। যাত্রা কালে, মোড়ল বোয়াল বললো ডেকে ডেকে বরণউখা পার  হতে সবাই যেন সাবধানে তে থাকে, গত আষাঢ়ে পাবদার ছানা পড়েছিল ধরা, পরে আর যায়নি পাওয়া জ্যান্ত কিংবা মরা! টোপর মাথায় চললো ছুঁটে সরপুঁটির পাত্র পেছন পেছন ছুটলো আর সকল বরযাত্র-    ************************* সকাল থেকে জাল ফেলছে রহিম শেখের বেটা, মলা-ঢেলা দূরে কথা পড়ছে না কেউ-কেটা, ওঁত পেতে বসে আছে বরণউখার বাঁকে সূযোগ পেলে ফেলবে জাল টেংরা...

অমিতাভ চক্রবর্তীর অসাধারন সম্প্রীতির কবিতা

Image
সবাই হবো এক অমিতাভ চক্রবর্তী এসো আজ এক সাথে হই হাতে রাখি হাত, কান্না সকল লুকিয়ে রেখে ভুলে যাই জাত পাত। আমিও মানুষ তুমিও মানুষ তবে দন্দ কিসের ভাই, চলো একসাথে লিখি জীবনের কথা চলো একি সুরে গাই। তুমি হবে শ্রেষ্ঠ শিল্পি আমি হবো সুরকার, রাঙাবো সমাজ আলোর ছটায় ঘুচবে সকল আধার। মাঠে মাঠে কৃষক তুলবে যে সুর ফসলের ঝঙ্কারে, আমরাই দেবো অভয় তখন যদি বৈশাখি ঝড় ডরায় তারে। একসাথে গড়বো ভঙ্গুর সমাজ সবাই হবো জয়ী, ফোটাবো হাসি সবার মুখে মোরা হবো মৃত্যুঞ্জয়ী।

বাঙালী পাকিস্তান প্রেমিদের উদ্দেশ্য কবিতা কুলাঙ্গার বাঙালী

Image
কুৃলাঙ্গার বাঙালী তন্ময় চক্রবর্তী হে কুলাঙ্গার বাঙালী, এখনও ভুলিসনি পাকিস্তান প্রেম, ভুলিসনি ধর্ষকদের বাণী। ভুলে গেছিস মায়ের অশ্রু, ভুলেছিস আমরা বাঙালি। ৩০ লক্ষ রক্ত কাঁদে,চায় তাঁর প্রতিদান। লজ্বা কি নেই তোর! আজও বলিস পাকিস্তান মহান। তোদের রক্ত দূষিত,মিশ্র কিনবা পাকিদের নইলে তোরা কিভাবে বলিস, ওরা শত্রু নয়, মোদেরই ভাইয়ের দেশ। ওহে মহানের দল,তোরা তো শিক্ষিত বা মহা পন্ডিত। ঘেটেছিস কখনও ইতিহাসের পাতা,জেনেছিস সত্যকে। নাকি হুজুকে বাঙালি হয়েই বেঁচে থাকবি, আর বলবি পাক সার জমিন সাদ বাদ ভালো লাগে বেশ। আজ সময় এসেছে প্রশ্ন কর নিজের পিতাকে, জেনে নে সত্য,অজানা গুপ্ত, শ্রদ্ধায় মহান  মুক্তিযুদ্ধের।

আমার লেখা নতুন কবিতা ব্যর্থ বঙ্গপিতা

Image
ব্যর্থ বঙ্গপিতা তন্ময় চক্রবর্তী

অসাধারন একটি কবিতার ভিডিও

ধূমপানকে না বলি,সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি

#ধূমপানকে_না_বলি_সুন্দর_বাংলাদেশ_গড়ি মাদককে না বলুন আমরা কত বড় করে প্রচার করি তাই না!কিন্তুু সেই মাদকাসক্ত হওয়ার প্রথম ধাপটি কি সেটার দিকে কারও খেয়াল থাকে না। সিগারেট বা ধূমপান করা।প্রথমেই বলে নিচ্ছি সকল ধূমপায়ী কিন্তু মাদকাসক্ত নয়।তবে সকল মাদকাসক্ত ধূমপানের মাধ্যমে শুরু করে মাদকাসক্ত হয়।বন্ধু বানন্ধবের সাহচর্যে সিগারেটে একটান দুইটান দিয়ে শুরু হয়,পরবর্তিতে একজন মাদকাসক্তে পরিনত হয়।তাহলে কি দাড়াল মাদকাসক্ত হওয়া পিছনে সিগারেট সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।তাই সিগারেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া উচিৎ।কিন্তু সরকার তা করবে না।কারন কি জানেন, কারন সরকার এখান থেকে বৃহৎ অঙ্কের ট্যাক্স পায়।তাহলে সেই ট্যাক্স আমাদের জন্য কতটুকু জরুরি যে ট্যাক্সের লোভে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকাসক্ত প্রজন্মে পরিনত করছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বেশি বিক্রিত পন্যটির নাম হল সিগারেট,যার ক্রেতা কিন্তু আমাদের যুব সমাজ।অনদিকে বাংলাদেশে মাদকাসক্তের ৮০%ই এই যুবকেরা।তাই সরকারের প্রতি আকুল আবেদন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য ধূমপানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনের প্রয়োগ নিশ্চিৎ করুন। ©Tonmoy_Chakrobarty

তন্ময় চক্রবর্তীর বিপ্লবী মানবতা

Image
বিপ্লবী  মানবতা তন্ময় চক্রবর্তী জাগো হে মানব...... ঘুমিয়ে থেকো না বদ্ধ ঘরের কোনে, তোমার বাবা আর্তনাদ আকাশে,বাতাসে ভাসে। ভয়কে আজি পেছনে ফেলে রাজপথে নাম ভাই, নয়তো তোমার রক্ত হলিতে  মেতে উঠবে ওরাই। লোভের তরে বিক্রি হয়ওনা,লড়াই করতে শিখো, দিন বদলের শ্লোগানে প্রতিবাদি ভাষা লিখো। দেশে দেশে আজ লোভের আগুন স্বার্থ সুখের আশা, তোমরা কিভাবে বিদ্রোহি হবে তোমার হাত যে বাধা। অরন্যকে কাপিয়ে তুমি আনো শান্তির দূত, আশান্তিকে কর তুমি তাড়িত বহুদুর। রাজনীতি যেন কলুষিত হয়ে পঁচে গেছে নেতারা, তাইতো তারা মারছে মানুষ,আমার হাতটি বাঁধা। আজো ধর্ষিত আমার মা-বোন,ভিটে হারা জনতা, তাদের জন্য রুখে দাড়াও বিপ্লবি মানবতা। #কবিতা #মানবতা #সংগ্রাম #প্রতিবাদ

আমার লেখা একটি কবিতা যেটি বাস্তব সমাজিক ব্যবস্হার ওপরে লেখা

Image
ভূমি দস্যু তন্ময় চক্রবর্তী ওরা আমার বসত ভিটা কাইড়া নিতে চায়, ওদের ওই শক্তি পানে আমি কিকরে যাই। ওরা সবাই দস্যুরই দল অগাধ শক্তি, তাইতো তোমার ভূমি দেখে লোভ পেয়েছে বৃদ্ধি। দস্যুরা সব দলে দলে জোট বেধেছে ভাই, নিরিহ তোর ভিটা টুকু দখল হয়ে যায়। ওরা এত পশু কেন লোভতো ওদের বেশি, গরিবেরই জমি দেখে জিহ্বা বেরোয় বেশি। গরীব কাঁদে জমি হারিয়ে দস্যুরা পায় সুখ, মানবতা ভূলুন্ঠিত ক্ষমতাশালীর তোপ। মাঝে মাঝে হুমকি যে দেয় ভিটা ছাড়বি বল, নিরিহ সে অসহায় হয়ে খুজে বেড়ায় পথ। দস্যুরা সব কষাই হল,মানুষ হল না, মৃত্যুকালে ভিটা রেখে দুনিয়া ছেড়ে যায়। ওদের অনেক টাকা বেশি দালাল খুঁজে পায়, গরিব বেটা কাতর হয়ে লাথিই শুধু খায়। নিরিহ সে স্বপ্ন দেখে অল্প নিয়ে বাঁচতে, দস্যুরা সব স্বপ্ন দেখে নিরিহেরটা কষছে। নিরিহ মানব অর্থাভাবে ভিটা ছেড়ে দেয়, ভূমি দস্যু পশু হয়ে ভিটা কেড়ে নেয়। আজতো আমি কবিতা লিখি হাস্যরসের তালে, আমার বাপের ভিটাটুকুও দস্যুরা ধরে টানে।